ব্যাংকে গ্রাহকের ভিড়, বাড়ছে করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি

নিউজ ডেস্ক আপডেট:১৫ মে, ২০২০ ব্যাংকে গ্রাহকের ভিড়, বাড়ছে করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি

করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটি চলছে। ছুটির মধ্যে সীমিত আকারে চলছে ব্যাংকের কার্যক্রম। বন্ধ আছে অনেক শাখা। কিন্তু যেসব শাখা খোলা আছে সেখানে সেবা পেতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন গ্রাহকরা। ফলে করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে।

সীমিত ব্যাংকিংয়ের কারণে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। একদিনের কাজ শেষ করতে লাগছে চার থেকে পাঁচদিন। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই শাখায় গ্রাহকের ভিড় কমাতে এবং সার্বক্ষণিক লেনদেনসহ সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা।

এছাড়া সীমিত ব্যাংকিংয়ের করণে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় লেনদেন মেটাতে খোলা থাকা শাখায় প্রচুর ভিড় করছেন, অনেকটা হুমড়ি খেয়ে পড়ার মতো অবস্থা। অনেক স্থানে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী গ্রাহকদের সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে করোনা আক্রান্তের ঝুকি বাড়ছে।

এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, সব বন্ধ থাকলেও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হবে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মহামারির মধ্যেও সীমিত আকারে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পর্যায়ক্রমে লেনদেনের সময় ও শাখা খোলার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। আমদানি-রফতানি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল রাখতে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনে নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলার শাখা, বাণিজ্যিক এলাকায় সব শাখা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যাংকের শাখা খোলা রাখতে বলা হয়েছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানুষের জীবনের নিরাপত্তা। স্বাস্থ্যঝুঁকি সবারই আছে। তাই সরকারের নির্দেশনা এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।’

ব্যাংকের শাখা খোলা প্রসঙ্গে বেসরকারি ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, সীমিত ব্যাংকিংয়ের কারণে গ্রাহকদের সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি আমরাও বুঝি। কিন্তু স্বাস্থ্যঝুঁকি তো আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না। কারণ জীবনের নিরাপত্তা সবচেয়ে বড়। তারপরও আমাদের কর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রথমে মাত্র ১৫টি শাখা খুলেছিলাম ও পরে ৭০টি শাখা খুলছি। ফলে শাখা খোলার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শিফটভিত্তিক হিসাব করলে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের প্রায় ৯০ শতাংশ শাখা খোলা আছে। সময় খারাপ সেটা তো সবার বুঝতে হবে।

গ্রাহকদের সাধারণ লেনদেনের জন্য সবসময় ব্যাংকে না আসার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, ২০ বা ৫০ হাজার টাকার লেনদেনের জন্য ব্যাংকে না এসে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারেন। এখন অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার জন্য বাড়তি চার্জ দিতে হচ্ছে না। তাই সবসময় ব্যাংকে না এসে সহজ সেবাগুলো গ্রহণ করুন।

Source: www.jagonews24.com

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ