বানরের শরীরে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে শতভাগ সাফল্য পেল চীন

নিউজ ডেস্ক আপডেট:০৯ মে, ২০২০ বানরের শরীরে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে শতভাগ সাফল্য পেল চীন

করোনাভাইরাস মহামারির প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন তৈরিতে বহুদূর এগিয়েছেন বিজ্ঞানীরা সেটা নিয়ে সন্দেহ নেই। সম্প্রতি বানরের শরীরে একটি নতুন উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে শতভাগ সাফল্য পেয়েছেন চীনা গবেষকরা।

পিকোভ্যাক নামে ভ্যকিসিনটি তৈরি করেছে বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠ্যান সিনোভ্যাক বায়োটেক। কোন প্রাণীর শরীরে এটি প্রয়োগ করলে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, যা ভাইরাস ধ্বংস করতে সহায়তা করে।

বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ওয়ার্ল্ডো মিটারে শনিবার (৯ মে) সর্বশেষ আপডেটকৃত তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৪০ লাখ ১২ হাজার ৮৩৭ জনের শরীরে। মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

চলতি বছরের ৬ মার্চ সায়েন্স ম্যাগাজিনে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিলো, সম্প্রতি রিসাস ম্যাকাকিউস প্রজাতির একদল বানরের শরীরে এই প্রতিষেধকটি প্রয়োগ করেন চীনা গবেষকরা। তিন সপ্তাহ পরে বানরগুলোকে করোনা ভাইরাসের সংস্পর্শে নেওয়া হয়।

এক সপ্তাহ পরে দেখা যায়, যেসব বানরের শরীরে বেশি মাত্রায় প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হয়েছিলো তাদের ফুসফুসে করোনার উপস্থিতি নেই। প্রতিষেধকটি ভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।

কিন্তু যেসব বানরকে ভ্যাকসিন বা টিকা দেওয়া হয়নি সে বানরগুলো করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত বানরের শরীরে নিউমোনিয়ার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলের মানবদেহে পিকো ভ্যাকের ট্রায়াল শুরু হয়।

তবে প্রতিষেধক তৈরিতে একটি সমস্যার মুখে পড়তে পারেন দেশটির গবেষকরা। এখন চীনে করোনার সংক্রমণ অনেক কমে গেছে। দেশটিতে এখন কয়েকশ রোগী আক্রান্ত আছেন।

কিছুদিনের মধ্যেই মানবদেহে টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে তাদের জন্য। ২০০৩ সালে সার্স ভাইরাসের প্রতিষোধক তৈরি বন্ধ হয়েছিলো ওই কারণেই।

Source: www.banglanews24.com

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ