জয়ের জন্য আরো ২৯৫ রান দরকার বাংলাদেশের

নিউজ ডেস্ক আপডেট:০৫ নভেম্বর, ২০১৮ জয়ের জন্য আরো ২৯৫ রান দরকার বাংলাদেশের

লক্ষ্য ছিল ১৫০ রানের মধ্যে দ্বিতী ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে বেধে রাখা। সে লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি বোলাররা। তবুও মেহেদী হাসান মিরাজ এবং তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণি জাদুতে ১৮১ রানে অলআউট হলো জিম্বাবুইয়নরা। ফলে দুই ইনিংস মিলে জিম্বাবুয়ের লিড দাঁড়ালো ৩২০ রান। জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩২১ রান।

প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও ঘূর্ণি জাল বিস্তার করেছিলেন তাইজুল ইসলাম। দুই ইনিংস মিলে ১১ উইকেট নিলেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬২ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ৫ উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়েছেন ৩টি এবং অভিষিক্ত স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু নিয়েছেন ২ উইকেট।

তাইজুল ৫ উইকেট নিলেও দিনের তিন সেশনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম সেশনের শুরুতেই ওপেনার ব্রায়ান চারিকে আউট করে উইকেটের সূচনা করেন মিরাজ। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি ফেরান হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে। আর তৃতীয় সেশনের শুরুতে তিনি ফিরিয়েছেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে।

চা বিরতির আগ পর্যন্ত (দ্বিতীয় সেশন) ৬ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের রান ছিল ১৬৫। তখন জিম্বাবুয়ের লিড দাঁড়িয়েছিল ৩০৪ রান। বাংলাদেশের জন্য যা রীতিমত বিশাল হিমালয় পাহাড়ের সমান। শেষ পর্যন্ত ১৮১ রানেই অলআউট হলো মাসাকাদজারা।

তৃতীয় সেশন শুরুর পরপরই ব্রেক থ্রু এনে দিতে পারলেন মেহেদী মিরাজ। ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে সাজঘরে ফেরান তিনি। ৬০ বলে ১৭ রান করেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজার ভাই। তার আগেই দ্বিতীয় সেশনে অবশ্য তাইজুল ঘূর্ণিতে দ্রুত উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। শন উইলিয়ামস, পিটার মুরকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে দেন তিনি। পরের ওভারের প্রথম বলে সিকান্দার রাজা তাইজুলের হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দিলেও দুই বল পর ঠিকই সেই সিকান্দারকে বোল্ড করেন বাংলাদেশের এই স্পিনার।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতা দেখায়। দেড় শতক করতে পারেনি। দলীয় আট রানের মাথায় প্রথমে ইমরুল কায়েস (৫) সাজঘরে ফিরেছিলেন। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে আরেক ওপেনার লিটন দাসও (৯) আউট হয়ে যান। তরুণ নাজমুল হোসেন শান্তও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি, পাঁচ রান করেই প্যাভিলিয়নের পথে রওনা হন। শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও।

তবে অন্যদের ব্যর্থতার দিনে দারুণ উজ্জ্বল ছিলেন অভিষিক্ত ব্যাটসম্যান আরিফুল হক। ৪১ রানের হার না মানা চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন তিনি। কিছুটা চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম (৩১) ও মেহেদী হাসান মিরাজ (২১)। কিন্তু তাঁরা খুব একটা এগিয়ে নিতে পারেননি। প্রতিপক্ষের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে স্বল্প রানে ইনিংস গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয় তারা।

Source: www.jagonews24.com

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ